মোবাইল ব্যাংকিংয়ে দৈনিক গড় লেনদেন কমেছে ৩ শতাংশ

২৮ জুলাই, ২০২০ ১৬:১৬  
মাস ব্যবধানে সক্রিয় গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৯ শতাংশ বাড়লেও হঠাৎ করেই ক্রমবর্ধমান মোবাইল ব্যাংকিংয়ের অধিকাংশ সূচকে ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। রেমিটেন্স সংগ্রহ, ক্যাশ ইন, ক্যাশ আউট, ব্যক্তি-ব্যক্তি লেনদেন, সরকারি বেতন ভাতা প্রদানসহ অধিকাংশ সূচকই এখন নিম্নমুখী। বাংলাদেশ ব্যাংকের মোবাইল আর্থিক সেবার (এমএফএস) মাসিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত মে মাসের তুলনায় জুন শেষে সার্বিক লেনদেন কমেছে ৯ ভাগ। প্রতিদিনের গড় লেনদেন কমেছে প্রায় ৩ শতাংশ। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত জুনে মোট ২৫ কোটি ৬০ লাখ ৯৭ হাজার ৭৭২টি লেনদেনের মাধ্যমে ৪৪ হাজার ৮৩১ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। এর আগের মাস মে-তে মোট লেনদেন হয়েছিল ৪৭ হাজার ৬০১ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে লেনদেন কমেছে প্রায় ৬ শতাংশ। জুনে প্রতিদিন মোবাইলে গড়ে লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৪৯৪ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। যা আগের মাসের তুলনায় ২ দশমিক ৭ শতাংশ কম। মে মাসে প্রতিদিন গড় লেনদেন ছিল ১ হাজার ৫৩৬ কোটি টাকা। এছাড়াও ব্যক্তি হিসাব থেকে ব্যক্তি হিসাবে জুন মোবাইলে অর্থ স্থানান্তর হয়েছে ১৩ হাজার ১৩০ কোটি টাকা। এটিও আগের মাসের তুলনায় ১১ দশমিক ৪ শতাংশ কম। গতমাসে মোবাইলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বেতন-ভাতা বিতরণ করেছে দুই হাজার ৩৭৭ কোটি টাকা। বিভিন্ন সেবার বিল পরিশোধ করা হয়েছে ৯৯৩ কোটি টাকা। কেনাকাটার বিল পরিশোধ করা হয়েছে ৮১১ কোটি টাকা। সরকারি পরিশোধ ৫৫৮ কোটি টাকা। এছাড়া অন্যান্য হিসাবে লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৩৯৬ কোটি টাকা। আলোচিত সময়ে এমএফএসে রেমিট্যান্স এসেছে ১২৫ কোটি ২৩ লাখ টাকা। যা আগের মাসের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ কম। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে মোট ১৫টি ব্যাংক মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সঙ্গে জড়িত। ২০২০ সালের জুন শেষে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে নিবন্ধিত গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ কোটি ৮৭ লাখ ৯৭ হাজার, যা তার আগের মাস মের চেয়ে ৮ শতাংশ বেশি।